JANGIPUR EDEN ACADEMY (Estd. 2019)
- Tagline : A Way of Success
- Govt. Regd. No. : IV-1215-00533/2019
🏫 প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস
JANGIPUR EDEN ACADEMY প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে একটি আধুনিক, বহুমুখী ও মানবিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই বিদ্যালয়টি শিক্ষা, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও আধুনিক জ্ঞানের সমন্বয়ে ছাত্রছাত্রীদের গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মনোরম পরিবেশে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও শিক্ষাবান্ধব একটি পরিসর তৈরি করেছে।
এটি একটি Anglo-Bengali Medium শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যদিও শিক্ষার প্রধান মাধ্যম মাতৃভাষা বাংলা, তবুও ইংরেজি, আরবি ও হিন্দি ভাষার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা বহুভাষিক দক্ষতা অর্জন করতে পারে।
🌱 আমাদের ভাবনা ও ব্যবস্থাপনা
আমাদের শিক্ষাদর্শনের মূল ভিত্তি হলো—শিশুদের সর্বাঙ্গীন বিকাশ। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে JANGIPUR EDEN ACADEMY নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়:
- সর্বাঙ্গীন বিকাশ:
শিশুদের শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, নৈতিক ও সামাজিক বিকাশ সাধনই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য। - আদর্শ পরিবেশে মানসম্মত শিক্ষা:
শান্ত, সুশৃঙ্খল ও আদর্শ পরিবেশে উপযুক্ত আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতির মাধ্যমে সকল বিষয়ে মৌলিক ও গুণগত শিক্ষাদান করা হয়। - সরকারি পাঠ্যসূচী অনুসরণ:
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নির্ধারিত পাঠ্যক্রম সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করা হয়। - মেধা বিকাশ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা:
শিক্ষার্থীদের মেধা অনুযায়ী বৃত্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয় এবং M.CAT ও অনুরূপ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ দেওয়া হয়। - নিরাপত্তা ব্যবস্থা:
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পঠনপাঠনের স্বার্থে ক্লাসরুমসহ সম্পূর্ণ স্কুল ক্যাম্পাস CCTV ক্যামেরার আওতাভুক্ত। - কম্পিউটার শিক্ষা:
তৃতীয় শ্রেণী থেকে আধুনিক কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
লাইব্রেরী সুবিধা:
জ্ঞানচর্চার জন্য সুসজ্জিত পাঠাগারের ব্যবস্থা আছে।
📚 পাঠ্যক্রম (Curriculum)
🔤 ভাষা শিক্ষা (Language)
- বাংলা
- ইংরেজি
- আরবি
- হিন্দি
🔬 Science & Arts
- গণিত
- বিজ্ঞান
- ভূগোল
- ইতিহাস
- সাধারণ জ্ঞান (G.K.)
- কম্পিউটার
- ইসলাম পরিচয়
- দু’আ শিক্ষা
⏰ স্কুল টাইম
- নার্সারি: সকাল ১০:০০ টা থেকে দুপুর ১:১৫ টা পর্যন্ত
- প্রথম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণী: সকাল ১০:০০ টা থেকে বিকেল ৪:০০ টা পর্যন্ত
দূরবর্তী ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিদ্যালয়ের নিজস্ব যানবাহনের সু-ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি Special Combined Coaching এর ব্যবস্থাও উপলব্ধ।
🌈 আগামী দিনের JANGIPUR EDEN ACADEMY-এর স্বপ্ন
- ধর্মনিরপেক্ষ ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে মানবতার মূল্যবোধে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলে প্রকৃত মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
- আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া এলাকার মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্বল্প খরচে বা অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
- ভবিষ্যতে উচ্চ-প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা।
- ডে-আবাসিক বিভাগকে পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিদ্যালয়ে রূপান্তর করা।
🌟 Special Qualities
- Spoken English ক্লাস
- মাসিক ক্লাস টেস্ট (Monthly & Mock Test)
- প্রতিক্লাসে সীমিত ছাত্রছাত্রী (Teacher : Student = 1:20)
- Smart Class সুবিধা
- দুর্বল ছাত্রছাত্রীদের জন্য Remedial Class
- নামাজ প্রশিক্ষণের সু-ব্যবস্থা
- শুদ্ধ কিরাত শিক্ষা
- দু’আ ও সূরাহ মুখস্থ করানো
- নিয়মিত অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ ও পরামর্শ
- গজল, আবৃত্তি, Quiz ও বিভিন্ন ইসলামিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রশিক্ষণ
- Career-এর সাথে চরিত্র গঠনের শিক্ষা
- MCAT ও আল-আমীন মিশনের প্রবেশিকা পরীক্ষার কোচিং
- সর্বক্ষণ প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা
- শারীরশিক্ষা ও খেলাধুলার সু-ব্যবস্থা
🤝 অভিভাবকগণের মতামত ও পরামর্শ
আমরা বিশ্বাস করি—অভিভাবকদের সহযোগিতা ছাড়া একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্ণতা পায় না। তাই আপনাদের নিকট আমাদের বিনীত আহ্বান:
- আপনার এলাকায় দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সন্ধান দিয়ে আমাদের সহায়তা করুন।
- আপনার মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করুন।
- শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে প্রতিষ্ঠানের ভুল-ত্রুটি আমাদের জানিয়ে দিন।
- সর্বসাধারণকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সচেতন করুন।
- বিদ্যালয় ও পাঠাগারের জন্য বই ও শিক্ষা উপকরণ দান করুন।
📍 বিদ্যালয়ের ঠিকানা
মহম্মদপুর (কলেজ মাঠের পার্শ্বে)
পোঃ জঙ্গীপুর, থানা: রঘুনাথগঞ্জ
জেলা: মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ
পিন: 742213
📞 যোগাযোগ : ভর্তি ও অন্যান্য বিষয় জানতে যোগাযোগ করুন
📱 9635048226
📱 7074089090
📱 9046859746
📱 8927129150
✨ JANGIPUR EDEN ACADEMY — A Way of Success
📌 ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু নিয়ম-কানুন :
১. সময় ও প্রস্তুতি (Punctuality)
✔ সঠিক সময়ে আগমন:
স্কুল শুরু হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে বিদ্যালয়ে পৌঁছানো নিশ্চিত করুন। দেরিতে আসার জন্য অযথা অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়।
✔ প্রাতঃরাশ (Breakfast):
খালি পেটে শিশুকে স্কুলে পাঠাবেন না। হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার খেয়ে এলে শিশু মনোযোগী থাকতে পারে।
২. পোশাক ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা
✔ সম্পূর্ণ ইউনিফর্ম:
প্রতিদিন পরিষ্কার ইউনিফর্ম, সাদা মোজা এবং পালিশ করা জুতো পরা বাধ্যতামূলক।
✔ চুল ও নখ:
ছেলেদের ক্ষেত্রে চুল ছোট রাখা এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে চুল পরিষ্কারভাবে বাঁধা আবশ্যক। নখ ছোট ও পরিষ্কার রাখতে হবে। স্কুলের নিয়ম অনুযায়ী শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
✔ পরিচ্ছন্নতা:
শিশুকে রুমাল বা টিস্যু ব্যবহার ও খাওয়ার আগে এবং পরে হাত ধোয়ার অভ্যাস করান।
৩. স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ
✔ বই-খাতা:
প্রতিদিনের ক্লাস রুটিন অনুযায়ী ব্যাগে প্রয়োজনীয় বই ও খাতা আছে কি না অভিভাবক নিজে দেখে নেবেন।
✔ প্রয়োজনীয় স্টেশনারি:
পেন্সিল বক্সে কমপক্ষে ২–৩টি পেন্সিল, ভালো ইরেজার, শার্পনার এবং স্কেল থাকা উচিত। পেন্সিল দিয়ে লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
✔ চিহ্নিতকরণ:
ছোট বাচ্চারা প্রায়ই জিনিস হারিয়ে ফেলে, তাই ব্যাগ, টিফিন বক্স ও পানির বোতলে শিশুর নাম লিখে দিন।
৪. টিফিন ও পানি
✔ স্বাস্থ্যকর টিফিন:
ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার দিন। চিপস, চকলেট বা বাইরের জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন।
✔ সহজ খাবার:
এমন টিফিন দিন যা শিশু নিজেই সহজে খুলে ও খেতে পারে।
✔ পানির বোতল:
শিশুকে পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস করান এবং বোতলটি ব্যাগের সাইড পকেটে দিন।
৫. আচরণ ও সামাজিক শিক্ষা
✔ ভদ্র ব্যবহার:
শিক্ষক ও বড়দের সালাম বা আদব দেওয়া এবং সহপাঠীদের সাথে ভদ্র ও শালীন আচরণ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
✔ শেয়ারিং মানসিকতা:
সহপাঠীদের সাথে টিফিন বা শিক্ষা উপকরণ শেয়ার করার মানসিকতা তৈরি করুন, তবে অন্যের ব্যাগ থেকে অনুমতি ছাড়া কিছু না নেওয়ার শিক্ষা দিন।
✔ অনুমতি গ্রহণ:
ক্লাস চলাকালীন টয়লেট বা বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে অবশ্যই শিক্ষকের অনুমতি নিতে হবে।
৬. নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য
✔ পরিচয়পত্র (ID Card):
স্কুলে থাকার সময় আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক।
✔ জরুরি যোগাযোগ:
শিশুকে নিজের নাম, বাবার নাম এবং একটি মোবাইল নম্বর মুখস্থ করানোর চেষ্টা করুন।
✔ অসুস্থতা:
শিশু যদি কোনো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয় (যেমন—চোখ ওঠা, জ্বর, সর্দি-কাশি বা খুব বেশি দুর্বলতা), তবে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত স্কুলে পাঠাবেন না।
৭. অভিভাবকদের জন্য বিশেষ করণীয়
✔ স্কুল ডায়েরি:
প্রতিদিন রাতে শিশুর স্কুল ডায়েরি চেক করুন এবং কোনো নোটিস থাকলে তা গুরুত্ব সহকারে অনুসরণ করুন।
✔ অতিরিক্ত পোশাক:
নার্সারি বা কেজি বিভাগের বাচ্চাদের জন্য ব্যাগে এক সেট অতিরিক্ত সাধারণ পোশাক (Extra Clothes) রাখা ভালো, যাতে দুর্ঘটনা ঘটলে পরিবর্তন করা যায়।
বি.দ্র.: উপরোক্ত নিয়মাবলি বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন বিকাশের স্বার্থে প্রণীত। সকল অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
— বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
📌 অভিভাবকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়মাবলি :
১. সময়ানুবর্তিতা ও উপস্থিতি
✔ সঠিক সময়ে আগমন: স্কুল শুরু হওয়ার অন্তত ১০–১৫ মিনিট আগে সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিন। দেরিতে পৌঁছালে শিশুর মানসিক চাপ বাড়তে পারে।
✔ নিয়মিত উপস্থিতি: অসুস্থতা ছাড়া অকারণে ছুটি নেওয়া নিরুৎসাহিত করা হয়। কোনো কারণে অনুপস্থিত থাকলে অবশ্যই কারণ ব্যাখ্যা (যেমন– মেডিকেল সার্টিফিকেট বা আবেদনপত্র) স্কুলকে জানাতে হবে।
২. পোশাক ও পরিচ্ছন্নতা (Uniform & Hygiene)
✔ নির্ধারিত ইউনিফর্ম: প্রতিদিন পরিষ্কার ইউনিফর্ম পরে স্কুলে আসা বাধ্যতামূলক।
✔ পরিচ্ছন্নতা: নখ কাটা, চুল পরিপাটি রাখা এবং পরিষ্কার জুতো-মোজা পরার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
✔ আইডি কার্ড: নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিদিন সন্তানকে আইডি কার্ড পরিয়ে স্কুলে পাঠাবেন।
৩. টিফিন ও খাদ্যাভ্যাস
✔ পুষ্টিকর খাবার: ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর টিফিন ও খাবার দেওয়ার চেষ্টা করুন।
✔ পানির বোতল: নিয়মিত পরিষ্কার পানির বোতল সঙ্গে দিন এবং বোতলে শিশুর নাম লিখে দিন।
✔ অ্যালার্জি তথ্য: আপনার সন্তানের যদি কোনো খাবারে অ্যালার্জি থাকে, তবে তা অবশ্যই স্কুল কর্তৃপক্ষকে আগে থেকে জানাবেন।
৪. প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ
✔ বই-খাতা: প্রতিদিনের রুটিন অনুযায়ী ব্যাগে বই ও খাতা আছে কি না তা নিশ্চিত করুন।
✔ নামাঙ্কন: বই, খাতা, টিফিন বক্স ও পানির বোতলে শিশুর নাম ও শ্রেণি লিখে দিন, যাতে হারিয়ে না যায়।
✔ নিষিদ্ধ বস্তু: খেলনা, ধারালো বস্তু বা দামী ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন– মোবাইল, স্মার্টওয়াচ) স্কুলে আনা নিষিদ্ধ।
৫. অভিভাবক–শিক্ষক যোগাযোগ
✔ স্কুল ডায়েরি: প্রতিদিন স্কুল থেকে ফেরার পর সন্তানের ডায়েরি পরীক্ষা করুন এবং শিক্ষকের দেওয়া নোটিস বা নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
✔ মিটিংয়ে অংশগ্রহণ: স্কুল আয়োজিত অভিভাবক–শিক্ষক সভা (PTM)-এ উপস্থিত থাকার চেষ্টা করুন।
✔ যোগাযোগের মাধ্যম: স্কুলের অফিসিয়াল নাম্বার বা নির্ধারিত মাধ্যম ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে জরুরি নোটিস গ্রহণযোগ্য নয়।
৬. নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম
✔ ছুটির পর সংগ্রহ: ছুটির পর নির্ধারিত সময়ে সন্তানকে নিয়ে যান। অন্য কেউ নিতে এলে আগেভাগে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
✔ অসুস্থতা:আপনার সন্তান যদি সংক্রামক কোনো রোগে (যেমন– জ্বর, ফুসকুড়ি, চোখ ওঠা) আক্রান্ত হয়, তবে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাকে স্কুলে পাঠাবেন না।
✔ স্কুল ডায়েরি চেক: প্রতিদিন স্কুল থেকে ফেরার পর সন্তানের ডায়েরি চেক করুন এবং শিক্ষকের কোনো নোট থাকলে তা অনুসরণ করুন।
✔ মিটিংয়ে অংশগ্রহণ: স্কুল আয়োজিত প্রতিটি অভিভাবক–শিক্ষক সভা (PTM)-এ উপস্থিত থাকার চেষ্টা করুন।
✔ যোগাযোগের মাধ্যম: স্কুলের অফিসিয়াল অ্যাপ বা ফোন নম্বর ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে জরুরি নোটিস মিস না করার জন্য সতর্ক থাকুন।
বি.দ্র.: উপরোক্ত নিয়মাবলি বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নতির স্বার্থে প্রণীত। সকল অভিভাবকের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
